চেন্নাইয়ের জয়ে রাজস্থান প্লে অফে

সেই একটি দল হওয়ার লড়াইয়ে আবার ছিল তিনটি দল। আসরের ৫৫তম ও দিনের প্রথম ম্যাচে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের কাছে হেরে সেই লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। পরের ম্যাচের উপর তাকিয়ে ছিল রাজস্থান রয়্যালস, যেখানে আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করা চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হয়েছিল আরেক প্লে-অফ প্রত্যাশী কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। তবে শেষ চারে জায়গা পেতে হলে এই ম্যাচে পাঞ্জাবকে জিততে হতো কমপক্ষে ৫৩ রানের ব্যবধানে। সেটি না হওয়ায় মাঝখান দিয়ে রাজস্থান রয়্যালস পেয়েছে প্লে-অফের টিকেট।

পুনেতে জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সুরেশ রায়নার অপরাজিত ৬১ রানে ভর করে শেষ হাসি হাসে চেন্নাই। ৪৮ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান এ বাঁহাতি। আর শেষ দিকে দিপক চাহারের ৩৯ রান দলের জয়ে দারুণ ভূমিকা রাখে।

পাঞ্জাব বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট তুলে নেন আঙ্কিত রাজপুত ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। একটি উইকেট পান মুহিত শর্মা।

টসে হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চেন্নাই বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় পাঞ্জাব। ১৯ ৪ ওভারে ১৫৩ রান তুলে অলআউট হয় তারা। বিশেষ করে চেন্নাইয়ের দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার লুনগি এনগিদি এদিন হয়ে ওঠেন ভয়ঙ্কর। আর পাঞ্জাবের তিন সেরা ব্যাটসম্যান লোকেশ রাহুল ক্রিস গেইল ও অ্যারন ফিঞ্চ দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছাতে পারেননি।

তবে মিডলঅর্ডারদের চেষ্টায় দেড়শ রানের কোটা পার করতে পারে দলটি। সর্বোচ্চ ২৬ বলে ৩টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৫৪ করেন করুন নায়ার। এছাড়া ৩৫ করেন মনোজ তিওয়ারি। আর ২৪ রান আসে ডেভিড মিলারের ব্যাট থেকে।

এনদিগি ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট তুলে নেন। এছাড়া দুটি করে উইকেট পান শার্দুল ঠাকুর ও ডোয়েন ব্রাভো।

টুর্নামেন্টে ১৪ ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে জায়গা করে নিয়েছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পাওয়া চেন্নাই রান রেটে পিছিয়ে দুইয়ে রয়েছে। তিন নম্বর পজিশনে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৪ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট অর্জন করেছে। আর প্লে অফের শেষ দল রাজস্থান ১৪ পয়েন্ট পেয়েছে।

spot_img
পূর্ববর্তী নিবন্ধওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী
পরবর্তী নিবন্ধবাংলাদেশের স্পিন কোচ হিসেবে নিয়োগ পেলেন রফিক

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে