ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের পাঁচদিন পর প্রথম আলোচনার টেবিলে বসেছিল মস্কো ও কিয়েভ। তবে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই প্রথম এই শান্তি আলোচনায়। বৈঠকে কী ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে তাও প্রকাশ করা হয়নি। খবর আল জাজিরার।
গতকাল (রোববার) বেলারুশের প্রেসিডেন্ট অ্যালেকজান্ডার লুকাশেংকোর সাথে ফোনালাপের পর নিজের অফিসিয়াল ইন্সটাগ্রাম একাউন্টে দেয়া একটি পোস্টে এই তথ্য জানান জেলেনস্কি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আজ (সোমবার) সকালে এই আলোচনায় বসবে দুই পক্ষ।
ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তবর্তী প্রিপিয়াত নদীর পাড়ে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরো জানিয়েছেন, “আলোচনার সময় এবং আলোচনায় অংশ নেয়া ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল সেখানে যাওয়া ও আসার সময়, বেলারুশ ভূখণ্ডে থাকা সব বিমান, হেলিকপ্টার এবং ক্ষেপণাস্ত্র বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন লুকাশেংকো।”
বেলারুশ ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিলেন জেলেনস্কি। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন, বেলারুশ নিজেও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনে অংশ নিয়েছে। এবার শান্তি আলোচনার বিষয়ে একমত হলেও তিনি এ নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী নন বলে জানিয়েছেন। একই কথা বলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এদিকে, বেলারুশ সীমান্তে আলোচনার প্রস্তুতি চললেও ইউক্রেনের কিয়েভ ও কারকিভ শহরে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার আক্রমণের কারণে এখন পর্যন্ত ৭ লাখেরও বেশি মানুষ ইউক্রেন ছেড়েছেন। সোমবার রুশ হামলার পঞ্চম দিনে হতাহতের সংখ্যাও অনেক। যদিও রাজধানী শহর কিয়েভের নিয়ন্ত্রণ এখন ইউক্রেনের হাতে। এদিন কারফিউ তুলে দেয়া হয়েছে কিয়েভ থেকে।




















