বিআরটির প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় গাজীপুরসহ টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আগে থেকে যানজট লেগে থাকতো। এর মধ্যে তুরাগ নদের ওপর সেতুর স্লাব ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
ভোগান্তির আরেক নাম ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত চলমান বিআরটি প্রকল্পের কাজ ১০ বছরেও শেষ হয়নি। সড়কের বিভিন্ন অংশ খানা-খন্দে ভরা ও দীর্ঘ যানযটে প্রতিদিন দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা। আসছে ঈদযাত্রায় বাড়তি ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন ওই পথে চলাচলকারীরা।
টঙ্গী থেকে গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশ খানা-খন্দে ভরা । দীর্ঘ যানযটে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থাকেন ওই পথের যাত্রীরা। করোনার কারনে গত দুই বছর ঘরমুখি মানুষের চাপ কম ছিল। তবে এবার কয়েকগুণ বেশি মানুষ ঈদে গ্রামের বাড়ি যাবেন। যার কারণে এখন থেকেই শঙ্কার মধ্যে আছেন তারা।
সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফ্লাইওভার, ওভারপাস, সাধারণ যান চলাচলের আলাদা লেন নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনের নির্মাণকাজ একসঙ্গে চলছে, যার কোনোটিই শেষ হয়নি। ওইসব এলাকায় রাস্তা সরু হয়ে থাকার কারণে স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না যানবাহন।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দিয়ে সাধারণ সময়ে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৬০ হাজার যানবাহন চলাচল করে জানিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার বলেন ঈদের আগে এই সংখ্যা বেড়ে যাবে আরো কয়েকগুণ। বাস র্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের কাজ ২০১৬ সালে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু তা হয়নি।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে জানিয়ে বিআরটির এ কর্মকর্তা বলেন ঈদ উপলক্ষে সড়ককে চলাচল উপযোগী করে তোলার জন্য কাজ চলছে।উত্তরাঞ্চলগামী ২৩ জেলার মানুষের দুর্ভোগ শুরু হয় টঙ্গীর এই ব্রিজ থেকে। বছরের পর বছর পার হলেও ভোগান্তির শেষ হচ্ছেনা। এবারের ঈদের আগেই সড়কটি চলাচল উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।




















