স্বর্ণালংকার আত্মীয়ের নিকট রেখে ঈদে বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ

0

ঈদে বাসা ফাঁকা রেখে ঢাকা ছেড়ে গেলে দামি স্বর্ণালংকার কাছাকাছি থাকা ‘আত্মীয়-স্বজনের’ কাছে রেখে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে মার্চ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এ পরামর্শ দেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য নগরবাসীর অনেকেই গ্রামের বাড়িতে যান। এ সময় তাদের বাসা-বাড়ি ফাঁকা থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ার বিষয়টি সভায় তুলে ধরেন পুলিশ কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘‘ঈদের সময় প্রিয়জনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য নগরবাসীর অনেকেই গ্রামের বাড়িতে যান। এ সময় তাদের বাসা-বাড়ি ফাঁকা থাকে। এ সময় যেন কোন ধরণের অঘটন না ঘটে এজন্য বাসাবাড়ির নিরাপত্তা প্রহরীদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অধঃস্তনদের কমিশনার বলেন, “১৫ রোজা শেষ হয়ে গেছে। এখন মার্কেটগুলোতে ধীরে ধীরে ভিড় বাড়তে থাকবে। এ সময় মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টি বা টানা পার্টির তৎপরতা বেড়ে যায়। এজন্য থানার টহল পার্টিকে আরো সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজনে স্পেশাল টিম করে এদেরকে গ্রেফতার করতে হবে”।

শুধু পাহারা দিয়ে অপরাধ দমন করা যায় না, অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্রাফিক ডিভিশনের উদ্দেশ্যে কমিশনার বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে যানজটের চাপ বেড়ে যায়। এজন্য প্রয়োজনে ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলার পুলিশের সাথে সমন্বয় করে ঢাকার প্রবেশ মুখগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে”।

প্রতি মাসে ঘটে যাওয়া অপরাধ বিশ্লেষণ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পরবর্তী কর্মপন্থা ও কর্মকৌশল সম্পর্কিত নির্দেশনার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের কর্মোদ্দীপনা বাড়াতে প্রতিমাসের কার্যক্রম পয়েন্ট আকারে যোগ করে পরবর্তী মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত করে থাকেন ডিএমপি কমিশনার।

এসময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. আসাদুজ্জামান, বিভিন্ন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

spot_img
পূর্ববর্তী নিবন্ধযানজট আর ভোগান্তির নাম ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক
পরবর্তী নিবন্ধপানির তলে হাওরের শত শত একর জমির ধান

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে