সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি ৩ দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হবে

0

তপোবন, সুরমা ও লেকসিটি। সিলেট নগরের এই তিন এলাকার অবস্থান পাশাপাশি। এসব এলাকায় এখন থই থই পানি। ডুবে গেছে পাড়া-মহল্লার রাস্তাঘাট, বাসাবাড়িতেও ঢুকেছে পানি। এসব এলাকার কয়েক শ পরিবার এখন ঘরবন্দী জীবন কাটাচ্ছে। তবে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষেরা দুর্ভোগ সঙ্গী করেই হেঁটে পানিতে ভিজে গন্তব্যে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে বানভাসি এসব মানুষ পড়েছে বিপাকে।

২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হতে পারে সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর চার পয়েন্টে কমতে শুরু করেছে পানি। আগামী ৪৮ ঘন্টায় বিপৎসীমার নিচে পানি নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।

তবে নদ-নদীর পানি বাড়লেও আর বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে পূর্বাভাস কেন্দ্র।

ঘূর্ণিঝড় অশনির পরবর্তী প্রভাবে আসামসহ আশপাশের এলাকায় পাহাড়ি ঢল আর ভারি বর্ষণের কারণে বন্যা কবলিত সিলেট-সুনামগঞ্জ। দুই জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীর বাঁধগুলো ভেঙে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়েছে ভয়াবহ রূপ।

এরই মধ্যে কানাইঘাট, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও অমশীদ পয়েন্টে পানি কমতে শুরু করেছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। পানি নেমে যাবে।

আসাম, সিকিম, গ্যাংটকে আগামী রোববার পর্যন্ত ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, যমুনার নদীর পানি বৃদ্ধি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের নদীর অববাহিকায় স্বল্প মেয়াদী বন্যা হতে পারে। তবে বড় ধরনের বৃষ্টির শঙ্কা নেই। তাই বন্যা স্থায়ী হবেনা বলে নিশ্চিত করেছেন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া।

সিলেটে নদীর পানি কমে বিপৎসীমার নিচে চলে আসতে আরো দুই তিন দিন সময় লাগলেও নগরীর পানি নামতে সময় নেবে আরো।

তবে ত্রিপুরা ও আসামে ভারি বৃষ্টিতে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। ফলে সাময়িক সময়ের জন্য হবিগঞ্জে বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

spot_img
পূর্ববর্তী নিবন্ধবিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ তলা থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
পরবর্তী নিবন্ধঅবশেষে আর্জেন্টিনা দলে দুই ‘চমকে’ চূড়ান্ত দল ঘোষণা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে