স্বজন হারানোর বেদনায় ভারী হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করিডোর। রোববার (৫ জুন) ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে হাসপাতালে জমতে থাকে একের পর এক লাশের সারি।
এদিকে নিহত-আহত স্বজনের খোঁজ পেতে ছবি নিয়ে স্বজনরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন হাসপাতালের ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসে ফায়ার সার্ভিস কর্মী মনিরুজ্জামানের দেহ শনাক্ত করে কান্নায় ভেঙে পড়েন মামা মীর হোসেন।
মাত্র কয়েক মাস আগেই ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশনে যোগ দেন ফায়ার সার্ভিস কর্মী মনিরুজ্জামান। অদম্য সাহসিকতায় ডিপোর কনটেইনার বিস্ফোরণের আগুন নির্বাপণ করতে গিয়ে প্রাণ দেন এ ফায়ার কর্মী। একইভাবে প্রাণ দেন তার আরও চার সহকর্মী।
সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপোতে বিকট শব্দে কনটেইনারে আগুন লাগার সাথে সাথেই নিজের বাবাকে ফোন করেছিল সদ্য মহসিন কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক পাশ করে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করা মোবিনুল। জানান, তার শরীরও যেন পুড়ে যাচ্ছে।
সন্তানের কাতর কণ্ঠের আওয়াজ শুনেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন পিতা ফরিদুল আলম। কিন্তু সন্তানকে আর জীবিত পাননি পিতা।
এরকম আরও অনেকে নিহত-আহত স্বজনের খোঁজ পেতে ছবি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হাসপাতালের ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে।
আহতদের সুচিকিৎসায় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াস হোসেন।




















