কুমিল্লা সিটি করপোরেশনকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে দেশের স্বনামধন্য নগরবিদ ও প্রয়োজনে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাককুরও পরামর্শ নেয়া হবে জানিয়েছেন নবনির্বাচিত মেয়র আরফানুল হক রিফাত।
বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।
রিফাত বলেন, আধুনিক সিটি গঠনে দেশের স্বনামধন্য নগরবিদ ও প্রয়োজনে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাককুরও পরামর্শ নেয়া হবে।
এ সময় সিটি করপোরেশনে দুর্নীতি তদন্তের ঘোষণা দিয়ে শহরের জলবদ্ধতা, যানযট নিরসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার কথাও জানান তিনি।
সিটির সাবেক মেয়র নগর উন্নয়নে কোনো কাজ করেননি বলেও দাবি করেন রিফাত।
ভোট প্রসঙ্গে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। কোনো ভোটকেন্দ্রে সমস্যা হয়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাককু যে পরিমাণ ভোট পেয়েছেন তা জয়ের কাছাকাছি। তবে বুধবার রাতে কুমিল্লায় ফল ঘোষণা কেন্দ্রে যা ঘটেছে তা দুঃখজনক।
প্রয়োজনে কুমিল্লাবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হবে বলেও জানান নবনির্বাচিত মেয়র আরফানুল হক রিফাত।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাত্র ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাককুকে পরাজিত করে নতুন মেয়র হয়েছেন নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আরেক নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯৯ ভোট।
দুই বারের সাবেক মেয়র সাককুর হেরে যাওয়ার কারণ এখন বিশ্লেষণ করছেন ভোটাররা। তারা মনে করছেন বিএনপির বিভক্তির কারণেই সাককুর এই পরাজয়।
অন্তর্কোন্দলের কথা স্বীকার করে সাককুর ঘড়ি প্রতীকের নির্বাচন সমন্বয়কারী বলছেন, ঘোড়া প্রতীক নিয়ে কায়সার ভোট করায় তাদের পরাজয় হয়েছে।
ঘোড়া প্রতীকের কারণে নৌকা সুবিধা পেয়েছে এ কথা স্বীকার করলেও আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিমত- পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে কুমিল্লাবাসী।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমপি বাহারের পরিকল্পনা ও বিএনপির ফাটল নৌকাকে জিততে সাহায্য করেছে।
এই সিটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিএনপি আরো দুর্বল হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।




















