ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ইতিমধ্যে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৭ উইকেটে হেরে ব্যাকফুটে রয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। এই সিরিজ দিয়ে অধিনায়ক সাকিবের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভরা ম্যাচ শেষে সাকিবের কণ্ঠে ছিল আক্ষেপের সুর।
এই সিরিজের আগে বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়কে পরিবর্তন এসেছে। মুমিনুলের পরিবর্তে সাদা পোশাকে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাকিব। অধিনায়কত্বের চাপে ব্যাটে রান না পাওয়ায় পদ ছেড়েছেন তিনি। মুমিনুলের খুলে রাখা আর্ম ব্যান্ড সাকিবের হাতে পরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে অধিনায়ক সাকিবের ফেরাটা সুখকর হয়নি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়েছেন সাকিব। জানিয়েছেন ব্যাটিংয়ে দলের কেউ ভালো করছে না। আসলেই দলের টপঅর্ডারের কেউই রান পাচ্ছেন না। আর টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল তো ফর্মহীনতায় রয়েছেন টানা অনেক ম্যাচ।
অ্যান্টিগা টেস্টের পর সাকিব আল হাসানের কাছেও জানতে চাওয়া হয় মুমিনুলের বিশ্রাম প্রসঙ্গে। সাকিব বলেন, ‘এটা আমার পক্ষে বলা মুশকিল। যেটা হচ্ছে, ও যদি মনে করে ওর ব্রেক দরকার আছে, সেটা হতে পারে। এখন আসলে একটা ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়াটা বা চিন্তা করাটা ভালো কিছু না। পরের দুই দিন আমাদের বিরতি আছে। তখন চিন্তা করব, আমাদের দলের জন্য কোনটা ভালো হতে পারে।’
কিন্তু এই বক্তব্যকে ঘিরে সাকিবকে নিয়ে কটাক্ষ করেছে ভারতীয় দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। ‘অধিনায়ক হয়েই আগের অধিনায়ককে ছেঁটে ফেলার কথা সাকিবের মুখে!
সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের অধিনায়ক হওয়ার পরে বিশ্রামে যেতে চাইছেন আগের অধিনায়ক মোমিনুল। এর পিছনে কি সাকিবের হাত রয়েছে?’ এমন ইন্ট্রো দিয়ে বিভ্রান্তিকর এক প্রতিবেদন করেছে পত্রিকাটি।
এতে বলা হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে ডামাডোল চলছে। যা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কিন্তু কি কারণে আনন্দবাজার কটাক্ষমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা জানা যায়নি।
এদিকে এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিতে গিয়েও কটাক্ষমূলক ক্যাপশন ‘ বাংলাদেশ ক্রিকেটে ডামাডোল’ দিয়েছে।
তবে ছেড়ে দেয়নি ভক্তরা। পত্রিকাটির সমালোচনা বন্ধ করে এরকম ভিত্তিহীন খবর প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। কেউ কেউ বলেছেন, যদি দল মনে করে বিশ্রামে দেয়া দরকার সেটা দল সিদ্ধান্ত নেবে। সাকিবকে খোঁচানোর কী আছে। কেউ কেউ আরেক কাঠি সরস। তারা বলছেন, বয়কট ভারত।



















