চলন্ত বাসে ডাকাতি ধর্ষণের মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঠেকাতে সব রোডে চলাচল করা প্রতিটি রাতের বাসে যাত্রী, চালকসহ সবাইকে ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধুপুর উপজেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি।
রোববার দুপুরে উপজেলা শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে চলন্ত বাসে ডাকাতি ধর্ষণ ঠেকাতে পুলিশ, মালিক ও শ্রমিকের যৌথ উদ্যোগের করণীয় বিষয় নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি মধুপুর প্রান্ত শাখা ও পুলিশ প্রশাসন আয়োজিত ওই সভায় পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি মধুপুর প্রান্ত শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন এতে সভাপতিত্ব করেন। বক্তৃতা করেন মধুপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহীনা আক্তার, ওসি মাজহারুল আমিন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম হাসনাইন বাবুরাজ।
বক্তারা টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের টহলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। তারা বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে হাইওয়ে পুলিশের টহল কার্যক্রম না থাকায় ভিন্ন স্থানে অপরাধ ঘটিয়ে অপরাধীরা নিরাপদ স্থান হিসেবে মধুপুরের এই সড়ক ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ভিকটিমদের ফেলে যাওয়ার মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছে।
সহকারী পুলিশ সুপার শাহীনা আক্তার বাস মালিকদের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানোর আশ্বাস দেন। তিনি এজন্য সবার সহযোগিতা পেলে ইতোমধ্যে ঘটে যাওয়া অনুরূপ অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি মধুপুর উপজেলা প্রান্ত শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন বলেন, রাতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কটি অনিরাপদ হয়ে উঠে। এই সড়কে হাইওয়ে পুলিশের টহল না থাকায় বিভিন্ন স্থানে অপরাধ সংগঠিত করে অপরাধীরা মধুপুরে আলামত রেখে যায়। যার কারণে মধুপুরবাসীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য নাইটকোচগুলো ভিডিওর আওতায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। প্রশাসনিক এবং মালিক সমিতির নেতাদের সহযোগিতা পেলে যাত্রীদের ভিডিও করার পাশাপাশি মধুপুরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো সিসিটিভির আওতায় আনা যাবে।




















