রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর বাজারের পূর্বদিকের বাইপাস রাস্তাটি সংস্কারের দুই সপ্তাহেই দেবে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রোববার রাতে রাস্তার অর্ধেক দেবে গেছে। ভাঙা স্থানে লাল নিশানা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, এরশাদ সরকারের সময়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় আপেল মাহমুদের মোড় হতে তোজাম্মেল হক চেয়ারম্যানের ওষুধের দোকান পর্যন্ত এ রাস্তা তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে পৌরসভার পক্ষ থেকে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হয়। এ সময় একটি পুকুর পাড় বেঁধে পৌরসভার পক্ষে দুই সপ্তাহ আগে ২০০ মিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যেই রাস্তার অর্ধেক দেবে ভেঙে গেছে। তবে পুকুর পাড় ঠিক রয়েছে।
এ পুকুর পাড়ের ওপর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। এছাড়া আড়ানী উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ডিগ্রি কলেজ, মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে। বর্তমানে এই রাস্তাটি অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে।
এ বিষয়ে আড়ানী প্যারাগণ কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক সাইফুল ইসলাম নান্নু বলেন, রাস্তা ভেঙে যাওয়ার কারণে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগছে। মূল রাস্তা যানজটের কারণে এ বাইপাস রাস্তা দিয়ে আড়ানী উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা বিদ্যালয়, মহিলা কলেজ, ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা বেশি চলাচল করে। রাস্তাটির অবস্থা বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।
রাস্তার ঠিকাদার মামুন হোসেন বলেন, পুকুর পাড় বেঁধে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে। কেন দেবে গেল বুঝতে পারছি না। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। শিগগিরই রাস্তা ঠিক করে দেওয়া হবে।
আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী বলেন, রাস্তাটির বিষয়ে তাৎক্ষণিক অবগত হয়েছি। ঠিকাদারকে এখনো বিল দেওয়া হয়নি। পুনরায় সংস্কার করার জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়েছে। খুব দ্রুত কাজ করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




















