ভোলার দৌলতখানে মাদ্রাসা পড়ুয়া অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২০ আগস্ট রাতে উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নে। ঘটনাটি বিয়ের মাধ্যমে ফয়সালা করার আশ্বাসে ভিকটিমের অভিভাবক মামলা থেকে বিরত থাকেন বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার পর ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও স্থানীয়রা কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভিকটিমের মা ১০ সেপ্টেম্বর শনিবার দৌলতখান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মাকসুদ ফরাজির ছেলে ধর্ষক শিহাব (১৯) ও তার বন্ধু ৮নং ওয়ার্ডের নুরুল মাতব্বরের ছেলে মতিনকে (২৫) আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষক শিহাব পলাতক রয়েছেন।
মামলার বাদী বলেন, আমার স্বামী ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। গত ২০ আগস্ট আমি বিকালে মুন্সির হাট এলাকায় আমার ননদের বাড়ি যাই। বাড়িতে আমার অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া বড় মেয়ে ও ছোট মেয়েকে রেখে যাই। রাতের খাবার খেয়ে বড় মেয়ে সামনের কক্ষে ও ছোট মেয়ে মাঝের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ৯টার দিকে শিহাব তার বন্ধু ৮নং ওয়ার্ডের নুরুল মাতব্বরের ছেলে মতিনকে (২৫) নিয়ে এসে ঘরের কড়া নাড়ে। ঘুম থেকে উঠে আমার বড় মেয়ে দরজা খুলে দিলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
তিনি বলেন, জানাজানি হলে শিহাবের অভিভাবকরা বিষয়টি বিয়ের মাধ্যমে ফয়সালা করার আশ্বাস দেন, কিন্তু দীর্ঘদিনেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় থানায় মামলা দায়ের করেছি।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ইসমাইল হোসেন জানান, আসামিরা পলাতক রয়েছেন। গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।




















