জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই; হারলেই কিংবা অন্য কোনো ফলাফলেই বিশ্বকাপের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে শ্রীলংকার।
এমন কঠিন সমীকরণে অস্ট্রেলিয়ায় কার্দিয়ানে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হয়েছে এশিয়া চ্যাম্পিয়নরা।
বাঁচ-মরার লড়াইয়ের ম্যাটে টস ভাগ্য সহায় হয়েছে শ্রীলংকার। টসে জিতে আগে ব্যাটিং নেন দাসুন শানাকা।
ওপেনার কুশল মেন্ডিসের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ডাচদের চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দিয়েছে তারা।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান জমা করেছে শ্রীলংকা। সমান ৫ বাউন্ডারি ও ছক্কায় ৪৪ বলে ৭৯ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেছেন মেন্ডিস।
বাকি কেউ তার মতো জ্বলে উঠেনি। নয়তো স্কোরবোর্ড আরও সমৃদ্ধ হতে পারত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান মেন্ডিসের অর্ধেকের চেয়েও কম, অলরাউন্ডার চরিথ আসালাঙ্কার।
৩ বাউন্ডারিতে ৩০ বলে ৩১ রান করেছেন তিনি।
ব্যাট হাতে শুরুটা দুর্দান্ত করে শ্রীলংকার দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লে তে আসে অবিচ্ছিন্ন ৩৬ রান। এটাই ওপেনিং জুটির রান।
কারণ ৭ম ওভারে লংকান শিবিবের জোড়া আঘাত হানেন ডাচ পেসার ভ্যান মেকারেন। ওভারের ৩য় ও ৪র্থ বলে তিনি আউট করে দেন ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও ধনাঞ্জয়াকে। ২১ বলে ১৪ রানে সাজঘরে ফেরেন নিশাঙ্কা।
ধনাঞ্জয়াকে রানের খাতাই খুলতে দেয়নি মেকারেন। গোল্ডেন ডাক মেরেছেন তিনি।
এরপর আসালাঙ্কাকে নিয়ে ১৫তম ওভার পর্যন্ত দলকে কোনো বিপদে পড়তে দেননি ওপেনার মেন্ডিস।
১৫তম ওভারের প্রথম বলে আসালাঙ্কাকে আউট করে ৬০ রানের জুটি ভাঙেন পেসার ডি লিডা।
একই ওভারে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় ১০০ রান পার করেন মেন্ডিস। ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ফের ডি লিডার আঘাতে সাজঘরে ফেরেন ভানুকা রাজাপাকসে। তার ব্যাট ছুঁয়ে আসে ১৩ বলে ১৯ রান।
পরের ওভারে ক্লাসেনের ৪র্থ ডেলিভারিতে ৮ রান করে ফিরেছেন অধিনায়ক শানাকা। তবে উইকেট পেলেও রান থামিয়ে রাখতে পারেননি ক্লাসেন। এ ওভার থেকে ১৫ রান তুলেছে শ্রীলংকা। এর আগের ওভার থেকে আসে ৯ রান।
শেষ ওভার থেকে এসেছে মাত্র ৮ রান। কারণ ওভারের দ্বিতীয় বলে প্রথম বল থেকে দুর্দান্ত ব্যাট চালানো কুশল মেন্ডিসকে আউট করে দেন ভ্যান ডার গুগটেন।
নেদারল্যান্ডসের পক্ষে দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন দুই পেসার ভ্যান মেকারেন ও ডি লিডা। একটি করে পেয়েছেন ফ্রেড ক্লাসেন ও ভ্যান ডার গুগটেন।




















