রাজধানীর সংঘবদ্ধ বাইসাইকেল চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ চক্রের সদস্যরা রেস্টুরেন্ট, মার্কেট, কাঁচাবাজার কিংবা মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের বাইসাইকেল চুরি করে থাকেন। তাঁরা বাইসাইকেলে তালা না থাকলে সেটি নিমেষে চুরি করে পালিয়ে যান। আর যদি তালা থাকে, তাহলে বিশেষ কায়দায় তা ভেঙে ফেলেন।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁদের রাজধানীর মধুবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন মো. আসিফ, মো. আপন ও মো. হোসেন ফকির।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশীদ বলেন, সংঘবদ্ধ চক্রটি চার শতাধিক সাইকেল চুরি করেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার তিনজনের কাছ থেকে ২৭টি বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
হাতিরঝিল থানা-পুলিশ বলছে, মধুবাগে অভিযানকালে আসিফ ও আপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুজনই সাইকেল চুরির কথা স্বীকার করেন। পরে মধুবাগ থেকে হোসেন ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর সাইকেলের গ্যারেজ থেকে একটি চোরাই বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়। পরে পশ্চিম রামপুরার একটি গোডাউন থেকে আরও ২৬টি চোরাই বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
হাতিরঝিল থানার ওসি আবদুর রশীদ জানান, বাইসাইকেল চোর চক্রের অন্যতম সদস্য হলেন আসিফ ও আপন। তাঁদের নেতৃত্বে চক্রের ১০ সদস্য মিলে রাজধানীর মগবাজার, মুগদা, রামপুরা, মতিঝিল ও বাড্ডা এলাকায় বাইসাইকেল চুরির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। গত তিন–চার বছরে চক্রটি চার শতাধিক বাইসাইকেল চুরি করেছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আবদুর রশীদ বলেন, চোর চক্রের অন্যতম সদস্য হোসেন ফকিরের মধুবাগে বাইসাইকেল মেরামতের দোকান আছে। এ চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে অল্প দামে তিনি চোরাই বাইসাইকেল কিনে তা গোডাউনে রেখে দেন। পরে বাইসাইকেল মেরামত করে বা যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করে নিজের দোকানে রেখে বিক্রি করেন।




















