ফরিদপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে সামনে রেখে এবার পরিবহণ ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছে জেলা বাস মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
তবে তাদের দাবি, মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল বন্ধ না করা হলে ১১ নভেম্বর সকাল থেকে ১২ নভেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সকল প্রকার পরিবহণ চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
আগামী ১২ নভেম্বর ফরিদপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে পরিবহন ধর্মঘটের সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতারা।
এদিকে, বিএনপি নেতারা বলছেন, সমাবেশে নেতা-কর্মীদের জনস্রোত ঠেকাতে সরকারের ইন্ধনে পরিবহণ ধর্মঘট ডেকেছে কতিপয় মালিক শ্রমিক নেতারা।
মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়ে সোমবার দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের হাতে চিঠি তুলে দেন ফরিদপুর জেলা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতারা। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর এই চিঠি দেওয়া হয়।
ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নাসির স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটছে। এ অবস্থায় যাত্রীদের নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ১০ নভেম্বরের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে। না হলে ১১ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে ১২ নভেম্বর শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত ফরিদপুর জেলা বাস টার্মিনাল থেকে আঞ্চলিক বাস ও মিনিবাসসহ দূরপাল্লার পরিবহনের সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে পরিবহণ ধর্মঘটের সম্পর্ক নেই জানিয়ে বাস মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি জুবায়ের জাকির বলেন, গত মাসে দুই মাস আগে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলা মিলে আমরা একটি সভার মাধ্যমে জানিয়েছিলাম। মহাসড়কে থ্রি-হুইলার, নসিমন, করিমন বন্ধ না করা হলে ধর্মঘট আহবান করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মাসে খুলনা ও মাদারীপুরে আমরা একটি মিটিং করেছে। সেই সময়ে আমরা বলেছি মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধ না করা হলে নভেম্বর মাসের ১১ এবং ১২ তারিখ সকল প্রকার বাস চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একে কিবরীয়া স্বপন বলেন, বিগত বিএনপির সমাবেশগুলোতে আমরা এ নাটক দেখেছি। সরকারের প্ররোচনায় বাস মালিক সমিতি বাস ধর্মঘট ডেকেছে। তবে কোনো ধর্মঘট ডেকে বিএনপির মহাসমাবেশ বন্ধ করা যাবে না। নেতাকর্মীরা যেভাবেই পারুক মহাসমাবেশে যোগ দেবে এবং সমাবেশকে সফল করবে।




















