আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেছেন, ‘মরহুম আবদুল মালেক উকিল দলের নেতা হিসেবে নেত্রীকে সম্মান করতেন। নেত্রী একজন সিনিয়র মানুষ হিসেবে আবদুল মালেক উকিলকে চাচা বলে সম্মান করতেন। আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিষ্টাচার শেখাচ্ছি না। এ কারণে সমাজ থেকে শিষ্টাচার শব্দটি হারিয়ে গেছে। আমরা নিজেরা এত আদর্শিক রাজনৈতিক দল। এ দলটি কেমন জানি বিএনপি-জাতীয় পার্টির মতো হয়ে যাচ্ছে।’আজ বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ছোট্ট একটি ছবি, নেত্রীর একটু বড় ছবি আর আমাদের ছবি বড় করে দিয়ে বাহাদুর সাজার চেষ্টা করে। আবার নিচে অনেক সময় দেখা যায়, যিনি সৌজন্যে ছবি দিচ্ছেন, তিনি টেম্পোস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করেন, ইয়াবার ব্যবসা করেন, ফেনসিডিলের ব্যবসা করেন, হয়তো ভূমিদস্যু, নয়তো সন্ত্রাসী।’আবু সাঈদ আল মাহমুদ আরও বলেন, অনেক প্রধানমন্ত্রী এসেছেন, অনেক প্রধানমন্ত্রী আসবেন। অনেক রাষ্ট্রপতি এসেছেন, অনেক রাষ্ট্রপতি আসবেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর মতো কেউ আর বাংলাদেশে আসবেন না। জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো বাংলাদেশের গরিব মানুষকে, মাটিকে, মানচিত্রকে এভাবে দরদ দিয়ে ভালোবাসার মানুষ আর আসবেন না।নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আবু সাঈদ আল মাহমুদ বলেন, ‘মাঝেমধ্যে কষ্ট লাগে, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কর্মীরা বিভ্রান্ত হয়ে নেত্রীর চেয়ে অন্য ব্যক্তিদের নিয়ে লাফালাফি করেন। তখন মনে হয়, আমরা রাজনীতিবিদ হিসেবে ব্যর্থ।’সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক বেগম ফরিদুন্নাহার, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন, সহিদ উল্যাহ খান প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছানা উল্যাহ।




















