বিশ্বকাপ ও ইউরোর মতো বড় টুর্নামেন্টে ক্রোয়েশিয়ার শেষ আটটি নকআউট ম্যাচের সাতটিই গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। গত বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠার পথে দুটি ম্যাচ টাইব্রেকারে জিতেছিল ক্রোটরা। কাতার বিশ্বকাপেও নকআউটের প্রথম পরীক্ষায় তারা উত্তীর্ণ হয়েছে টাইব্রেকারে জাপানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে। সোমবার রাতে ১-১ গোলে অমীমাংসিত শেষ ষোলোর লড়াইয়ে টাইব্রেকারে জাপানের তিনটি শট ঠেকিয়ে ব্যবধান গড়ে দেন ক্রোট গোলকিপার দমিনিক লিভাকোভিচ। বারবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখে ক্রোয়েশিয়া অধিনায়ক লুকা মদরিচের মনে হচ্ছে, নাটক ছাড়া জিততে পারে না তার দল!
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর মদিরচ বলেন, ‘মনে হচ্ছে নাটক ছাড়া জিততে পারি না আমরা। তবে যেভাবেই হোক, শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পেরে আমরা খুবই খুশি।’ কোয়ার্টার ফাইনালে মদরিচদের প্রতিপক্ষ রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ধারে-ভারে সেলেকাওদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে নারাজ ক্রোয়েশিয়া কোচ জ্লাতকো দালিচ, ‘একজন ক্রোয়েশিয়ানকে কখনো ছোট করে দেখবেন না।
আমরা দেখিয়েছি যে, বিশ্বকাপে এগিয়ে যাওয়ার মতো মান আমাদের আছে। একবার আমরা তৃতীয় (১৯৯৮) হয়েছি। একবার দ্বিতীয় হয়েছি (২০১৮)। এখন আমরা কোয়ার্টার ফাইনালে। বড় কিছুর স্বপ্ন দেখার অধিকার আমরা অর্জন করেছি। কখনোই আশা ছাড়ব না। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবে ক্রোয়েশিয়া।’



















