মাতৃমৃত্যু রোধে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব জরুরি

অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ডগাইনিকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশের নারীদের বর্তমান স্বাস্থ্য–ব্যবস্থার উন্নয়নে তাদের ভূমিকা বিষয়ে গত রোববার দেশের প্রখ্যাত গাইনিকোলজিস্টদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সৌজন্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল কোরাল ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট অস্টোক্যাল জিএক্স। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস এবং প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওজিএসবির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. ফেরদৌসি বেগম। ওজিএসবির পক্ষে মহাসচিব অধ্যাপক গুলশান আরা এবং এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষে ডা. সিফাত সামিয়া সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের শহীদ এবং বীরাঙ্গনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। সূচনা বক্তব্যে অধ্যাপক গুলশান আরা বাংলাদেশের নারীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে মাতৃমৃত্যুর উচ্চহার এবং প্রসব–সংক্রান্ত জটিলতা কমাতে গাইনোকলজিস্টরা একতাবদ্ধ হয়ে ১৯৭২ সালে ওজিএসবি প্রতিষ্ঠা করেন। ৫০ বছরে নারীস্বাস্থ্যের উন্নয়নে ওজিএসবির ভূমিকা, সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপরও আলোকপাত করেন তিনি।

বাংলাদেশে মাতৃস্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন ওজিএসবির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রওশন আরা বেগম। তিনি তাঁর ছাত্রজীবনে বাংলাদেশে মায়েদের উচ্চ মৃত্যুহার এবং চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত জটিলতার কথা স্মরণ করেন। বর্তমানে মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস পেয়ে লাখে ৫০০ থেকে ১৬৫ জনে নেমে আসায় তিনি সরকার, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, চিকিৎসক ও মিডিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন,এখনো ৫০ শতাংশের অধিক প্রসব হাসপাতালে না হয়ে অদক্ষ ব্যক্তিদের হাতে হচ্ছে। ফলে মায়েদের মৃত্যু হচ্ছে। তিনি হাসপাতালে অথবা বাড়িতে প্রসবের ক্ষেত্রে দক্ষ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীর সহায়তা নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্ব দেন।

spot_img
পূর্ববর্তী নিবন্ধখাওয়ার পরপরই টয়লেটের চাপ কেন আসে?
পরবর্তী নিবন্ধমেয়র তাপসের মাঠ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে হামলা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে