বড়দিন মানেই ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, কেক, কুকিজ, উপহারের মেলা।সান্তা ক্লজোর টুপি পরে আনন্দ আয়োজনে মেতে ওঠা। পাঁচতারা হোটেল, নানা রেস্তোরাঁ কিংবা বাড়িতেও চলে উৎসব…সান্তা ক্লজ আছে কি নেই, সে প্রশ্ন বেরসিকদের মগজের তাকে তুলে রেখে সারা বিশ্ব প্রতিবছর ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ মেতে ওঠে বড়দিনের আনন্দে। যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিনের এই উৎসব পৃথিবীর খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বীদের জন্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ উৎসব। এর সঙ্গে সর্বজনীন আনন্দের বার্তাও দেয়। বিশেষ খাবার, লাল-সাদা সাজপোশাক, সান্তা ক্লজের সাক্ষাৎ, উপহারের মেলা আর সর্বোপরি ক্রিসমাসের বিশেষ প্রতীক ক্রিসমাস ট্রির আলোকময় ও ঝিকমিকে সাজ—এই নিয়েই বর্ণাঢ্য আয়োজন।আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বীরা তাদের মতো করে বড়দিন উদ্যাপন করে আসছে। দেশের ছোট-বড় চার্চগুলোতে এদিন হয় বিশেষ প্রার্থনা। যোগ দেন ছেলে–বুড়ো সবাই। সুসজ্জিত হন যাঁর যাঁর সাধ্য ও পছন্দমতো বিশেষ পোশাকে। বাড়িতে বাড়িতে হয় বিশেষ খাবারের আয়োজন। উপহার বিনিময় হয় পরম আন্তরিকতায়। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে থাকে ক্রিসমাস ট্রি। বিভিন্ন অনুষঙ্গে সাজিয়ে রংবেরঙের টুনি বাতিতে জড়িয়ে ক্রিসমাস ট্রি ঘিরে চলে হাসি, গান আর আনন্দ। ক্রিসমাস ক্যারোলের সুর সবাইকেই ভাসায় আনন্দের ঝরনাধারায়।