তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি যদি আবার সুযোগ পায়, তারা একটা নয়, ১০টা ‘বাংলা ভাই’ সৃষ্টি করবে। এই রাজশাহী অঞ্চলকে তারা জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করবে। কিন্তু মানুষ তা হতে দেবে না। আজ রোববার দুপুরে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি ছিলেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে রাজশাহীতে “বাংলা ভাই” সৃষ্টি হয়েছিল। বিএনপির নেতারা তাঁকে বরণ করে নিয়েছিল। আজ শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনায় গত ১৪ বছরের উন্নয়নে রাজশাহী জেলা বদলে গেছে, রাজশাহী বিভাগ বদলে গেছে, পুরো দেশ বদলে গেছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা যেমন দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন, রাজশাহীতেও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, রাজশাহী মেয়রের নেতৃত্বে রাজশাহী আজ দেশের সবচেয়ে সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন শহরে পরিণত হয়েছে।’তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নেতারা আমাদের বলেন “পালাবার পথ পাবেন না”। অথচ তাদের বড় নেতা তারেক রহমানই পালিয়ে ইংল্যান্ডে অবস্থান করছেন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন “হাওয়া ভবন” তৈরি করে সারা দেশের মানুষের ওপর টোল বসিয়েছিল, চাঁদা বসিয়েছিল। আমোদ–ফুর্তি করার জন্য “খোয়াব ভবন” বানিয়েছিল।’হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যদি মানুষকে জিজ্ঞেস করা হয় হাওয়া ভবনের সবচেয়ে বড় চোরের নাম কী, তারা বলবে—তারেক রহমান। আর মির্জা ফখরুল বলেন, তারা যদি ক্ষমতায় যান, তাহলে নাকি সেই তারেক রহমান আসবে, দেশের প্রধানমন্ত্রী হবে। সে কারণেই মানুষ তাদেরকে আর সেই সুযোগ দেবে না।’তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে শেখ হাসিনার বক্তব্য শোনার জন্য রাজশাহী মাদ্রাসা ময়দান থেকে জনতার ঢেউয়ে পুরো রাজশাহী শহর জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী থেকে শুরু করে জাতীয় নেতারা এখানে বক্তব্য রেখেছেন। তাই এই মাঠেই আমরা সমাবেশ করছি।’মানুষ আওয়ামী লীগ আর বিএনপির সমাবেশের পার্থক্য বুঝতে পারবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশে দেখেছি তারা কাঁথা, কম্বল, বালিশ, মশার কয়েল এনেছিল, খিচুড়ি রান্না করে খেয়েছিল। সেটা কোনো জনসভা ছিল না, ছিল পিকনিক। বিএনপি সারা দেশে জনসভার নামে পিকনিক করেছে। আর আজকে এখানে শেখ হাসিনার আগমনে মাদ্রাসা মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।’রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ডাবলু সরকার ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারার সঞ্চালনায় দলের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন জনসভায় বক্তব্য দেন।




















