বিরোধী দলের গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের মুক্তি এবং বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ সব নিত্যপ্রয়োজনী পণ্যের দাম কমানোর দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বরিশাল জেলা গণতন্ত্র মঞ্চ। আজ শনিবার বেলা ১১টায় নগরের সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এই সমাবেশ থেকে সরকার ও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়া ও ১৪ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের পকেট কাটতে ও লুটপাটের অর্থ জোগান দিতেই সরকার আবার গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে জ্বালানি–সংশ্লিষ্ট সব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পাবে।বক্তারা আরও বলেন, সরকার একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে পারছে। কারণ, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, জনগণের কাছে তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই, জবাবদিহি নেই। একদিকে সরকার গুম, খুন, অপহরণ, বিরোধী মত দমন, গ্রেপ্তার, হামলা, মামলাসহ জনগণের সব অধিকার হরণ করে চলেছে। অন্যদিকে গ্যাস, বিদ্যুৎ, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের পকেট কাটছে।কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলার আহ্বায়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ। বক্তব্য দেন গণ অধিকার পরিষদের জেলা সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সমিরণ হালদার, গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা কমিটির সদস্যসচিব আরিফুর রহমান, ভাসানী অনুসারী পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য আবদুল মান্নান, যুব অধিকার পরিষদের বরিশাল মহানগর সদস্যসচিব ফরহাদ হোসেন তালুকদার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) জেলা সাধারণ সম্পাদক বিজয় কৃষ্ণ বড়াল, গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা সদস্য জাবের মোহাম্মদ।সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার গণ–আন্দোলনে ইতিমধ্যে ভীত হয়ে পড়েছে। পুরোনো সব স্বেচ্ছাচারী পথ অবলম্বন করে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্তি ও বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। জনগণের ক্রমবর্ধমান বৃহত্তর ঐক্য, গণজাগরণ ও গণ–অভ্যুত্থানে বর্তমান সরকারের পতন ঘটাবে বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।
বাড়ি টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া নেতা–কর্মীদের মুক্তি ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে বরিশালে গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ




















