মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নারীকে (৩৪) গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের সময় ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে অর্থও হাতিয়ে নিয়েছেন অভিযুক্তরা।
গত বৃহস্পতিবার ঈদের দিন ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে গত সোমবার তিনজনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা করেছেন।
তাঁরা হলেন মামলার প্রধান আসামি হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ওয়াদুদ বক্সের ছোট ভাই ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ছালিক বক্স (৪০), মানগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল বারীর ছেলে হাসানুল বারী সানী (২৬) ও শরীফপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাইফুর রহমান (৩২)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যান ওই নারী। রাতে ছালিক বক্স তাঁর সহযোগী সানীকে নিয়ে দরজা ভেঙে বাসায় ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। তাঁদের সহায়তা করেন সাইফুর রহমান।
এ সময় তাঁরা ওই নারীর বিবস্ত্র ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করেন তাঁরা। পরে ভিকটিমের আত্মীয়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. আব্দুছ ছালেক বলেন, এ ঘটনায় ওই নারী শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনের নামে মামলা করেছেন।
ওই নারীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ধর্ষণ মামলার সাত দিন পর প্রধান আসামি আব্দুর রহিমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে জামালপুর জেলার সদর উপজেলার বারুয়া বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ২২ জুন রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুরের বনাঞ্চলের সীমানায় নিয়ে আব্দুর রহিম ও তাঁর বন্ধুরা মিলে ওই নারীকে (৩৮) ধর্ষণ করেন। পরে স্থান বিভ্রান্তির কারণে ঘটনাস্থলের পাশের তিন জেলার তিন থানায় ঘোরার তিন দিন পর মধুপুর থানায় ধর্ষণ মামলা নেওয়া হয়।




















