আলোচনাটা পুরনো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিনা ঘোষণায় সরে পড়া মাশরাফি বিন মর্তুজাকে অন্য কোনো ভূমিকায় জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত করার। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মাশরাফি ও তামিম ইকবালের সাক্ষাতের পর সেই সম্ভাবনা সত্যি হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নাকি নির্দেশ দিয়েছেন মাশরাফি যেন ২০২৩ বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে থাকেন।
মাশরাফি বিন মর্তুজা এখন শুধু সংসদ সদস্যই নন, আওয়ামী লিগের ক্রীড়া সম্পাদকও।
তবে সব পরিচয় ছাপিয়ে তিনি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক এবং একজন ‘আইকন’, খেলা ছাড়ার পরও যাঁর ক্রিকেটীয় ইমেজ এখনো অটুট আছে। আছে ছেড়ে আসা ড্রেসিংরুমের ওপর প্রভাবও। সেই প্রভাব আছে জেনেই প্রধানমন্ত্রী মাশরাফিকে ফোন করে নির্দেশ দেন তামিম ইকবালকে গণভবনে হাজির করার। মাশরাফি দুই ঘণ্টার সময় চেয়েছিলেন, যথাসময়ে সস্ত্রীক সেখানে উপস্থিতও হন তামিম ইকবাল।
নির্ধারিত ১০ মিনিট পেরিয়ে তিন ঘণ্টা ছুঁয়ে ফেলা সেই আলোচনায় পরে যোগ দেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সেখানে নাকি প্রধানমন্ত্রী মাশরাফিকে বলেন, ‘বিশ্বকাপের সময় তোমাকে এক মাস ছুটি দিচ্ছি। তুমি দলের সঙ্গে যাবা। প্রয়োজনে আমি তোমার নড়াইল দেখব।
’ এরপর আর কথা বাড়েনি। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই পরিকল্পনার শুধু অনুমোদন বাকি বোর্ডে।



















