সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে একাদশে রাখা হয়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। এ নিয়ে অনেক জল ঘোলা হয়েছে। পর্তুগাল শিবিরের অনেক কথাবার্তা বাইরে এসেছে। সেই ম্যাচের পর প্রথম আলোয় আমি আমার কলামে লিখেছিলাম, রোনালদোর আরও আগেই অবসর নেওয়া উচিত ছিল। কারণ, কদিন পরই ৩৮-এ পা দেবে সে। গতি কমে এসেছে। তবে আমি বলব, আজ রোনালদোকে একাদশে রাখলেই বোধ হয় ভালো হবে পর্তুগালের জন্য। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের মতো ম্যাচে ‘সিআর-সেভেন’ কার্যকর কিছু করে ফেলতে পারে। গত ম্যাচে বেনফিকার তরুণ ফরোয়ার্ড গনসালো রামোসকে একাদশে খেলানো হয়েছে রোনালদোকে বাইরে রেখে। ২১ বছর বয়সী রামোস হ্যাটট্রিক করে ওর প্রতি কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই এই ছেলে অনেক দূর যাবে। তবে আমি মনে করি, আজকের ম্যাচে কোচ ফার্নান্দো সান্তোস রোনালদোকে বিবেচনা করলে ইতিবাচক ফল পেতে পারেন।
রোনালদোর হেড ওয়ার্ক খুব ভালো, ফিনিশিং দারুণ। ওর উপস্থিতিতে মরক্কোর রক্ষণ একটু বেশি সতর্ক থাকবে। রোনালদো মাঠে থাকা মানে পৃথিবীর কোনো রক্ষণই শান্তিতে খেলতে পারবে না। প্রতিপক্ষ সব সময়ই রোনালদোকে মানসিক বাধাও মনে করে। হয়তো পুরো সময় নয়, অন্তত প্রথমার্ধটা রোনালদোকে মাঠে রাখলে খারাপ হবে না। তাতে যেটা হবে, মরক্কো ম্যাচে থিতু হতে পারবে না। রোনালদো মাঠে থাকলে দুজন খেলোয়াড় ওকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। অন্য কাউকে নামালে সেটা হবে না। তবে কোচ কী করবেন, সেটা তিনি জানেন। সিদ্ধান্ত তাঁরই।মরক্কো কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই নিশ্চয়ই তাঁর পরিকল্পনা সাজাবেন রোনালদো শুরু থেকে খেলবে ধরে নিয়েই। তবে তাঁর জন্য পরিকল্পনা সাজানো কঠিন হবে। কারণ, গোলের মধ্যে আছে পর্তুগাল। সুইজারল্যান্ডের জালে ছয়-ছয়টি গোল দেওয়ার আত্মবিশ্বাসে ফুটছে তারা। সেই আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরাতে পারবে মরক্কো, যদি আজ তারা গোল পেয়ে যায় আগেই। তখন ম্যাচটা কঠিন হয়ে উঠতে পারে পর্তুগালের জন্য।



















