আইসিসিতে আম্পায়ারিং নিয়ে লিখিত অভিযোগ করবে বাংলাদেশ

0

ডারবান টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার ‘দুঃখজনক’ স্লেজিং নিয়ে অনফিল্ড আম্পায়ারদের নির্বিকার আচরণে হতবাক বাংলাদেশ। এমনকি পুরো ম্যাচজুড়ে তাদের বেশ কিছু প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত এখন আলোচনার তুঙ্গে। এসব নিয়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করবে। এমনকি আইসিসির কাছে লিখিত অভিযোগের পরিকল্পনা বিসিবির।

ওয়ানডে সিরিজে আম্পায়ারিং নিয়ে এরই মধ্যে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ। এবার টেস্টেও আম্পায়ারিং ও অন্য ইস্যু নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাতে চায় তারা।

রিভিউয়ের পর সাতবার সিদ্ধান্ত বদলান দুই অন-ফিল্ড দুই আম্পায়ার। ‘ক্লোজ কল’-এর বেশিরভাগই বাংলাদেশের বিপক্ষে গেছে। প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংসের ৪৪তম ওভার পর্যন্ত এলবিডব্লিউর রিভিউয়ে চারটি আম্পায়ার্স কল হয়, এর তিনটিই বিপক্ষে যায় বাংলাদেশের। এ ছাড়া দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের পাওয়া তিন উইকেটের দুটিই আসে রিভিউ নিয়ে।

এ ছাড়া মাঠে গালিগালাজ করে স্লেজিং করলেও আম্পায়াররা তাতে দৃষ্টিপাত করেননি। এমনকি বাংলাদেশ অভিযোগ করার পরও কোনো পদক্ষেপ নেননি মাঠে দায়িত্বরত দুই আম্পায়ার অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক ও মারাইস এরাসমাস। এ কারণে আম্পায়ারিং নিয়ে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। 

জালাল এবং টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ, নির্বাচক হাবিবুল বাশার ও সাকিব আল হাসানের সঙ্গে আম্পায়ারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘স্লেজিং তো স্বাভাবিক। কিন্তু আম্পায়ারদের দেখে মনে হয়নি তারা এটাকে আমলে নিয়েছে। ম্যাচের আম্পায়ারিং তো আমাদের হাতে নেই, কিন্তু আমি মনে করি আইসিসির নিরপেক্ষ আম্পায়ার ফেরানোর ব্যাপারে ভাবা উচিত।’

এ বিষয়ে জালাল ইউনুস বলেন, ‘ওয়ানডে সিরিজের পর আম্পায়ারিং নিয়ে আমরা একটি অভিযোগ করি। ম্যাচ রেফারি আমাদের ম্যানেজার নাফিস ইকবালের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছিলেন। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর তিনি নমনীয় হন। আমরা এই টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আরেকটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করব।’

চতুর্থ দিনের খেলা শেষে আম্পায়ারিং নিয়ে অভিযোগ করেন বিসিবি পরিচালক ও বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত বিপক্ষে না গেলে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৭৪ এর জায়গায় ১৮০ রান হতো বরে মনে করেন তিনি। এ ছাড়া এদিন সাকিব আল হাসান নিরপেক্ষ আম্পায়ার ফেরানোর আবহ্বান জানান। 

দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৩ রানে গুটিয়ে ২২০ রানে হেরে যাওয়ার পর মুমিনুল হকও আম্পায়ারিং নিয়ে অসন্তোষের কথা জানান। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘স্লেজিং তো মাঠে হয়ই। স্লেজিং হবে এটা স্বাভাবিক। স্লেজিং যদি মাঝে মাঝে অ্যাবিউসের কাছে চলে যায়, তখন এটা খুব খারাপ। আমার কাছে মনে হয় মাঝে মধ্যে তারা অ্যাবিউস করছিল, খুব বাজে ভাবে। যেটা আম্পায়ারও ওভাবে ওদের খেয়াল করেনি।’

spot_img
পূর্ববর্তী নিবন্ধ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ১৪৩৯ টাকা
পরবর্তী নিবন্ধব্যবসা এখন অনেক সহজ , কারণ সব কিছুই পাবেন এক সাথে Palamou তে

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে