দুজনই ‘এলএম-১০ ’। কিন্তু আজ একজনকে বিদায় নিতেই হতো। এটা যে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল! ক্রোয়েশিয়ার ‘এলএম-১০’ লুকা মদরিচ সব চেষ্টাই করলেন। কিন্তু লুসাইলের আইকনিক স্টেডিয়ামে রাতটা আসলে তাঁর দলের ছিল না। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, রাতটা মদরিচের ক্রোয়েশিয়ার হতে দেননি আর্জেন্টিনার ‘এলএম-১০’ লিওনেল মেসি।আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন, এটা তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। আর শেষ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে ফিরে যাওয়ার যে কোনো ইচ্ছা নেই, সেটা মেসি আগেও বুঝিয়েছেন, বোঝালেন আজও।পেনাল্টি থেকে নিজে গোল করলেন মেসি, হুলিয়ান আলভারেজকে দিয়ে করালেন আরও ১টি। কম যাননি আলভারেজও। মেসির পাস থেকে দ্বিতীয় গোলটা করার আগে প্রায় একক প্রচেষ্টায় তিনিও অবিশ্বাস্য একটা গোল করেছেন।আলভারেজের ২ ও মেসির ১ গোল মিলিয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচটা জিতেছে ৩-০ গোলে। ২০১৪ সালের পর আরও একবার উঠে গেছে বিশ্বকাপের ফাইনালে। অন্যদিকে গতবারের ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার পথচলা এবার থেমে গেছে শেষ চারেই, শেষ হয়ে গেছে বিশ্বকাপে মদরিচ অধ্যায়ও।প্রথম আধঘণ্টা আসলে ক্রোয়েশিয়াই খেলেছে। খেলেছে বলতে প্রথম স্পর্শেই দারুণ সব পাস দিয়েছে, আবার বলের দখলও রেখেছে। কিন্তু অ্যাটাকিং থার্ডে যেতে পারছিল না খুব একটা। সেই সময়টা আর্জেন্টিনা বরং ক্রোয়েশিয়ার খেলা নষ্ট করতেই বেশি ব্যস্ত থেকেছে। নিজেরা খুব একটা গুছিয়ে উঠতে পারছিল না। ১৬ মিনিটে একটা কর্নার পায় ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু বিপদ হতে দেননি আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডাররা।



















