ঢাকা কলেজে অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) গোয়েন্দা দল। এ সময় জহির হাসান জুয়েল নামের এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা হয় দুটি মোবাইল সেট।
রবিবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কলেজের আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাসের ১০১ নম্বর কক্ষে অভিযান চালায় তারা। আটক শিক্ষার্থী জহির ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সবশেষ কমিটির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
সংঘর্ষের ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলার এক নম্বর আসামি বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি তিন দিনের রিমান্ডে আছেন।
গত ১৮ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার পর থেকে আবারও শুরু হয় দফায় দফায় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এতে পুরো নিউ মার্কেট এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।
রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে দুটি মামলা করেছে। এ দুই মামলায় নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে শুধু একটিতেই ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের অপর আরেকটি মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। দুটি মামলার বাদি নিউ মার্কেট থানার এসআই মেহেদী হাসান ও পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়ামিন কবির।
এতে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাহিদ হাসান নামে এক কুরিয়ার সার্ভিস কর্মী।
সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) ভোরে আহত মো. মুরসালিন (২৪) নামে একজন দোকান কর্মী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।




















