ভ্যাপসা গরমের দাপট আরও চার-পাঁচ দিন : বিদ্যুৎ পানি সঙ্কটে দুর্ভোগ চরমে : ঘরে ঘরে মানুষ অসুস্থ : বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র শক্তি বৃদ্ধি
কাঠ ফাঁটা রোদ আর প্রচন্ড গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে নগর জীবন। ঘরে বাইরে কোথাও একটু স্বস্তি নেই। অসহ্য গরমে ওষ্ঠাগত মানুষের প্রাণ। খেটে খাওয়া মানুষকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন ভোগান্তি।
ভয়াবহ তাপদাহে ঢাকার আরও একটি দিন। খরতাপে দুর্বিষহ জীবন। জীবিকার তাগিদে পুড়ছে নগরে ছুটে চলা খেটে খাওয়া মানুষ। যদিও এই কংক্রিটের জঞ্জালে অক্সিজেনের রসদ নেমেছে তলানিতে। যার ফলাফল এমন অসহনীয় তাপমাত্রা।
আবহাওয়া অফিস বলছে, এই তাপমাত্রা স্থায়ী হবে আরও কয়েকদিন। তবে গত নয় বছর এই মৌসুমে এমন তীব্র দাবদাহ একবার হলেও চলতি বছর তা একাধিক।
৩৫০ বর্গকিলোমিটারের ঢাকা, বিশ্বে সবচেয়ে জনঘনত্বের শহর। যেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাস করে প্রায় ৪৮ হাজার মানুষ। বিশেষজ্ঞের মতে, ইট-কাঠ-পাথরের এই নগরীতে দূষণের সঙ্গে অপরিকল্পিত নগরায়নে ক্রমেই বিলিন হচ্ছে সবুজ।
প্রযুক্তির কল্যাণে সহজেই বোঝা যায় গাছপালা ঘেরা এলাকায় তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় সাত ডিগ্রী সেলসিয়াস। তবু ব্যস্ততা সবুজ উজাড়ে।
সবকিছুর পরও গাছ ও পরিকল্পিত নগরায়ন ছাড়া এমন দাবদাহ থেকে বেঁচে থাকার কোনো উপায় নেই।




















