প্রধানমন্ত্রী : বঙ্গবন্ধুর নাম আর কেউ মুছে ফেলতে পারবে না

0

অতীতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার অনেক অপচেষ্টা হয়েছে। তবে এখন নতুন প্রজন্ম অনেক সচেতন, আর কেউ জাতির জনকের নাম মুছে ফেলতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (১৪ মে) বিকেলে ধানমন্ডি-৩২-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট লাইব্রেরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন।

জাতির জনকের দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা যৌথভাবে লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ইতিহাস থেকে বারবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এভাবে জাতি ১৯৭৫ সালের পরের প্রকৃত ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখন তা আর পারবে না। কারণ নতুন প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে অনেক সচেতন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের লাইব্রেরি নতুন প্রজন্মকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত ইতিহাস এবং দেশ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা ১৯৭৫ সালের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার খুনিদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ প্রত্যাহার করে খুনিদের বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ বইটি পড়বে, এটি নিয়ে গবেষণা করবে এবং অনেক কিছু শিখবে। তথ্য সংগ্রহ করবে। তারা বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানবে। শুধু বাঙালি জাতি নয়, সারা বিশ্বের মানুষ। এটা সত্যিই অসাধারণ।’

শোষিত বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি শেখ হাসিনা তার মা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কথাও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বলেন। তিনি বলেন, ‘উনার (বঙ্গবন্ধুর) জীবনের বেশিরভাগ সময় জেলে। আমরা সন্তান হিসেবে সব সময় বঞ্চিত। আমরা কতটুকু আর বাবার স্নেহ পেয়েছি। কারণ উনি যখন বাইরে, তখন মানুষের জন্য কাজ করছেন, আর তারপরে জেলখানায়। আমাদের সঙ্গে মাসের ১৫ দিনে এক দিনই দেখা হতো। এই ছিল আমাদের জীবন। আমার আব্বা যখন জেলে থাকতেন, আমার মা কাজ করতেন। তবে আমার মায়ের ব্যাপারে বলব, উনি সত্যিকারের গেরিলা ছিলেন। উনার কোনো কর্মকান্ড গোয়েন্দারা ধরতে পারেননি।

লন্ডন সফরের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে ‘বঙ্গবন্ধু ও ব্রিটেন’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ছোট বোন ও মেয়েকে নিয়ে পুরো প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।দেশের সংবাদ সর্বশেষ

spot_img
পূর্ববর্তী নিবন্ধরোববার শুরু বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা চট্টগ্রাম টেস্ট, খেলছেন সাকিব
পরবর্তী নিবন্ধপুলিশ সদস্যের কব্জি বিচ্ছিন্ন আসামির দায়ের কোপে

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে