রাজধানীর ১৯ স্থানে পশুর হাট

0

কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের পশুর হাটগুলোতে। তবে বিভিন্ন এলাকায় বন্যার কারণে পশু পরিবহনে সমস্যা হতে পারে। 

তারপরেও কোরবানির পশু সঙ্কটের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বেপারিরা। তবে মাংসের দাম বাড়তি থাকায় গেল বছরের তুলনায় এবার বাড়বে সব ধরনের পশুর দাম। 

প্রায় সাড়ে ছয় ফুট উঁচু একটি গরুর নাম ম্যাক্সওয়েল। গাবতলির স্থায়ী হাটে মালিক এর দাম চাইছেন সাড়ে সাত লাখ টাকা। তার মতে বাজার জমলে এর দাম উঠবে আরো বেশি।

কোরবানির ঈদকে ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করেছে গাবতলিসহ রাজধানীর পশুর হাটগুলো। দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার কারনে এবার আগে থেকেই পশু আনার চেষ্টা করছে হাট কর্তৃপক্ষ। 

গেলো বছরের তুলনায় এবার গরু ও খাসির মাংসের দাম কেজিতে প্রায় ২০০ টাকা বেড়েছে, সেই হিসাবে এবার প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়বে পশুর দাম। 

সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার প্রভাব নিয়ে গাবতলীর ব্যাপারিরা বলছেন, বন্যায় পরিবহন সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিলেও পশু সংকটের কোন আশংকা নেই। 

নগরবাসীরা বলছেন এবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব না থাকায় কোরবানির পশু বিক্রি হবে অন্য দুই বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কোরবানির পশুর সঙ্কটও থাকবে না।

এবার রাজধানির ১৯টি স্থানে কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট বসানোর প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিনে বসবে ১০টি আর বাকি ৯টি বসবে উত্তরে। 

ইজারার কাজ শেষ হওয়ার পর ইতিমধ্যে হাটগুলোতে পশু রাখার জন্য বাঁশ পুঁতে রাখা হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় পশুর হাট ঘিরে বিভিন্ন তোরণ নির্মাণও করছে।

তবে দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে হাট মূলত ঈদের তিন চারদিন আগে থেকে বসার অনুমতি দেওয়া হয়ে থাকে।

এরপরও কেউ একটু আগ থেকে প্রস্তুতি নিলে করপোরেশন খুব বাধা দেয় না। তবে এবারের পশুর হাট ঘিরে করপোরেশনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর নজরদারি থাকবে।

spot_img
পূর্ববর্তী নিবন্ধপদ্মা সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে ৩ বাহিনীর সমন্বয়ে
পরবর্তী নিবন্ধবন্যায় মৃত্যুর মিছিল

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে