কোরবানির পশু থেকে এবার এক কোটি পিসের বেশি চামড়া সংগ্রহের টার্গেট ট্যানারি মালিকদের। দর কিছুটা বেশি হওয়ায় চামড়া সংগ্রহ নিয়ে এবার বিশৃঙ্খলার শঙ্কা করছেন না আড়তদাররা। তবে, বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ফারাক বেশি হলে চামড়ার ন্যায্য দাম নিয়ে সংশয়ে রপ্তানি সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবছর সংগ্রহ হওয়া চামড়ার প্রায় ৬০ ভাগই আসে পশু কোরবানির সময়। কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ-ওয়েট ব্লু রপ্তানির মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার এবার চামড়ার দর প্রতি বর্গফুটে সাত টাকা বাড়ানোয় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, এমন আশা আড়তদারদের।
হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস এর সভাপতি আফতাব আহমেদ জানান, কোরবানির মৌসুমেই সারা বছরের চামড়ার যোগান আসে। এবার চামড়ার দাম কিছুটা বাড়ায় এই খাতে ইতিবাচক প্রভাব দেখা যেতে পারে।
এদিকে ট্যানারি মালিকরাও আশা করছেন, দেশের মহামারি পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক অবস্থা এখন ভালো থাকায় এবার বাড়বে পশু কোরবানি।
ট্যানারি সমিতির সভাপতি শাহীন আহমেদ জানান, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। দেশজুড়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বেড়েছে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারেও সুনাম কুড়াচ্ছে বাংলাদেশ। এখন গতবারের তুলনায় কোরবানি যেমন বাড়বে, চামড়ার যোগানও তেমন বাড়বে।
বিভিন্ন ট্যানারিতে চামড়া মজুদ ও ব্যাংকের অর্থায়ন বিশ্লেষণ করে চামড়া শিল্পের উদ্যোক্তা এবং এমসিসিআই সভাপতি অবশ্য বলছেন, চাহিদার সঙ্গে যোগানের তারতম্য হলে অনিশ্চিত হবে ন্যায্য দাম।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চামড়া সংগ্রহের মূল চ্যালেঞ্জ গরম আবহাওয়া। অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও বৃষ্টি বিবেচনায় পশু কোরবানির ৫/৬ ঘন্টার মধ্যে পরিমাণমতো লবণ দেয়ার পরামর্শ ব্যবসায়ীদের।




















