নিজের হাতে দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে খুন করার পর থানায় গিয়ে খুনের বর্ণনা দিয়েছেন জহুরুল বিশ্বাস (৩৫) নামের এক যুবক। শুক্রবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে যশোরের অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জহুরুলের দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে পরে শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ গিয়ে চেঙ্গুটিয়া এলাকার একটি শালবন থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে।
প্রেমবাগ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবদুল হক মোল্যা জানান, উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা জহুরুল বিশ্বাস (৩৫) শুক্রবার সন্ধ্যার পর বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পে নিজেই হাজির হয়ে জানান- তার স্ত্রী বিথী বেগম (৩০), বড় মেয়ে সামিয়া খাতুন (৯) ও ছোট মেয়ে সুমাইয়া খাতুনকে (২) নিজ হাতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর পার্শ্ববর্তী অভয়নগর উপজেলার চেঙ্গুটিয়া শালবনে ফেলে রেখেছে।
খবর পেয়ে বসুন্দিয়া ক্যাম্প পুলিশ জহুরুলকে আটক করে অভয়নগর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। অভয়নগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শালবন থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে।
অভয়নগর থানার ওসি একেএম শামীম হাসান জানান, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কারণে জহুরুল বিশ্বাস তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করেছে। হত্যার পর শালবনে ফেলে রাখে। ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশের কয়েকটি টিম।




















