বাংলাদেশের স্পিন কোচের পদটা আপাতত ফাঁকা। ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয়, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে স্পিন কোচ ছাড়াই। এমনকি নিদাহাস ট্রফিতেও কোচ বিহীন ছিল নাজমুল অপু, মেহেদী হাসান মিরাজরা। সামনেই আফগানিস্তান সিরিজ। উপমহাদেশে হওয়ায় স্পিনবান্ধব উইকেটে খেলার সম্ভাবনা প্রবল।
এসব কারণে জাতীয় দলের জন্য খোঁজা হচ্ছিল একজন স্পিন বোলিং কোচ। কোচ বা পরামর্শক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে প্রথম ১০০ উইকেট পাওয়া স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। শেষপর্যন্ত তাকেই নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি।
তবে রফিককে নিয়োগ দেওয়া হলেও এখন রয়ে গেছে কিছু ধোঁয়াশা। তিনি জাতীয় দলের হয়ে কাজ করবেন নাকি জাতীয় পর্যায়ের অন্য কোনো দলে, সেটি নিশ্চিত নয় এখনও। বিসিবির সাথে তার চুক্তি ঠিক কত দিনের, নির্ধারিত হয়নি সেটাও। তবে এটুকু নিশ্চিত, চুক্তির সময়টা বেশ লম্বাই।
এর আগে ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে হাই পারফরমেন্স ইউনিটের কোচের দায়িত্ব পেয়েছিলেন রফিক। তার সাথে দায়িত্ব পেয়েছিলেন ওয়াহিদুল গনিও। অল্পদিন কাজ করার পরই কোচের তকমা সেবার মুছে যায় রফিকের নামের পাশে থেকে।
শনিবার সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে রফিক নিজেও জানালেন, চুক্তি কত দিনের তা জানেন না তিনিও, ‘বিসিবির সাথে কত দিনের চুক্তি হবে সেটা জানি না। তবে এতটুকু জানি লম্বা সময়ের জন্য। এখন বিসিবি যেখানেই বলবে কাজ করবো। আমার কাজ দরকার। আমি দেখব, খেলোয়াড় কীভাবে আসবে। সেটা বাংলাদেশ দল, ‘এ’ দল, আন্ডার ১৯ যেখান থেকেই হোক না কেন। আমার কাজ করা দরকার, আমি কাজ করবো।’
স্পিন বোলিংয়ে উন্নতি করতে কাজ করে যাবেন রফিক। তিনি বলেন, ‘আমার টার্গেট, যে লেভেলে খেলেছি, সেখান থেকে আরও ভালোভাবে শেখানো যায়। টপ লেভেলের ক্রিকেট কীভাবে খেলবে, ব্যাটসম্যানদের কীভাবে আটকাবে সেটা দেখা। এখন বিসিবির সাথে কথা হয়েছে, ‘এ’ টিমে, একাডেমির সাথে, যখন যেভাবে দরকার কাজ করব।’



















