সারা দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় কাল বৃহস্পতিবার ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের কোভিড–১৯ টিকাদান কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু এক দিন আগে আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। আগামীকাল তিনি চট্টগ্রামে থাকবেন না, তাই একদিন আগে টিকা কর্মসূচি শুরু করা হয়।
আজ নগরের মিউনিসিপ্যাল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রথম ডোজ টিকাদানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আগাম উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন করপোরেশনের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী। বক্তব্য দেন কাউন্সিলর আবদুস সালাম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাছিম ভূঁইয়া, ইমাম হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লিটন বড়ুয়া প্রমুখ।
জানতে চাইলে জহরলাল হাজারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়র মহোদয় কাল চট্টগ্রামের বাইরে থাকবেন। সে কারণে একদিন আগে প্রতীকী টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় কিছু শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে এই টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করে মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দূরদর্শী পদক্ষেপের কারণে বহু উন্নত দেশের চাইতে বাংলাদেশ অগ্রগামী। বিশ্বদরবারে প্রধানমন্ত্রী এই ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। যথাসময়ে কোভিড টিকা সংগ্রহ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সফলতা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে।
মেয়র আরও বলেন, যেহেতু শিক্ষার্থীরা কম বয়সী, তাই মহানগরের প্রতিটি স্কুলে গিয়ে টিকা প্রয়োগ করা হবে। সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে ১৬৪টি দল একই সময়ে টিকা প্রয়োগে অংশ নেবে। চার লাখের বেশি শিক্ষার্থী টিকা পাবে।




















