নেত্রকোনার মদনে বউ-শাশুড়ির দ্বন্দ্বে শফিকুল ইসলাম (৬০) নামের এক প্রতিবেশী মাদ্রাসা শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন।তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আরও ৭ জন আহত হয়েছেন।
রোববার রাতে উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শফিকুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে।
আহত ইব্রাহীম (৮০), মোবারক হোসেন (২৫) মাসুম মিয়া (১২) মিনারা আক্তারের (৫০) অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আহত জুনাঈদ (১৫), রিনা আক্তার (৩৮) ও কাদির মিয়াকে (১৩) মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রাখা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রুদ্রশ্রী গ্রামের এলাল উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন ফতেপুর মড়লপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে মুন্না আক্তারকে বিয়ে করেন।রোববার সন্ধ্যায় মুন্না আক্তার তার শাশুড়ি রিনা আক্তারের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তর্কবির্তক করেন। রাগে মুন্না আক্তার বাবার বাড়িতে গিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে তর্কের কথা তার পরিবারকে জানান।
মুন্না আক্তারের কথা শুনে বাবা আব্দুল মান্নান লোকজন নিয়ে ধারাল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মেয়ের জামাই মোবারক হোসেনের বাড়ি রুদশ্রী গ্রামে হামলা চালান।এ সময় প্রতিবেশী মাদ্রাসা শিক্ষক শফিকুল ইসলাম হামলাকারীদের আটকাতে গেলে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
হামলায় মেয়ের জামাতা মোবারক হোসেনসহ আরও ৭ জন আহত হয়। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বলেন, নিহত শফিকুল ইসলামের লাশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















