উপজেলার রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাত ১২টার পর থানায় নিমন্ত্রণ করে এনে তাদের ডোপ টেস্ট করানো দরকার। তাহলে জানা যাবে কারা মাদক সেবন করে। তারাই মাদকসেবীদের আশ্রয়দাতা।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী রফিকুল ইসলাম রোববার কেশবপুর থানা চত্বরে পুলিশ সুপারের সামনে ওপেন হাউজ ডেতে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা মাদক গ্রহণ করেন না। যেসব নেতারা মাদক সেবন করেন তারাই থানায় ফোন করে মাদকসেবীদের ছেড়ে দিতে বলেন। যে কারণে মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান শতভাগ সফল হয় না।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দার।
বক্তব্য রাখেন- হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্যামল সরকার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমীর হোসেন, কেশবপুরের পৌর মেয়র রফিকুল ইলাম মোড়ল প্রমুখ।
পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে বলেন, সন্ত্রাসী বাহিনী, চাঁদাবাজ, মাদকসেবীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যা যা করা প্রয়োজন পুলিশ সেসব ব্যবস্থা নেবে।




















