সংগীতশিল্পী, সংগীত পরিচালক ও সংগীত প্রশিক্ষক শেখ
জসীম, নন্দিত দুই সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার ও রাজীব
এবারই প্রথম একটি অনুষ্ঠানে একসঙ্গে বিচারকের
ভূমিকায় থেকে বিচারকার্য সম্পন্ন করেছেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ‘ঢাকা খ্রিস্টান ছাত্র কল্যাণ সংঘ’
আয়োজিত প্রতিভা অন্বেষণের ৪১তম আসরে দেশের গানের
প্রতিযোগীদের বিচারকার্য সম্পন্ন করেছেন তারা তিনজন।
ক, খ ও গ বিভাগে মোট ৫০ জন প্রতিযোগী এ প্রতিযোগিতায়
অংশগ্রহণ করে। এর আগে শেখ জসীম বিভিন্ন রিয়েলিটি
শোর বিচারক হিসেবে কাজ করলেও এবারই প্রথম দিঠি
আনোয়ার ও রাজীব বিচারক হিসেবে কাজ করেছেন।
এমন একটি প্রতিভা অন্বেষণের বিচারক হিসেবে কাজ করা
প্রসঙ্গে শেখ জসীম বলেন, আসলে এই প্রতিযোগিতায় যারা
অংশগ্রহণ করেছে, তাদের এখনো অনেক শেখার আছে, জানার
আছে। তবে আমরা কিছু শিল্পী পেয়েছি বেশ ভালো, সেটিও খুব
কম। আমার কাছে মনে হয় যে, এ ধরনের প্রতিযোগিতায়
যেসব শিল্পী অংশগ্রহণ করে, তাদের যারা প্রশিক্ষণ দিয়ে
থাকেন, তাদের শিল্পকলায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দিলে
সত্যিকারের শিল্পী বের হয়ে আসার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে
অনেকাংশে। যাই হোক, আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক
ধন্যবাদ এমন চমৎকার আয়োজনের জন্য।
দিঠি আনোয়ার বলেন, যেহেতু প্রথমবার আমি এ ধরনের
কোনো অনুষ্ঠানের বিচারক হিসেবে কাজ করেছি। তাই আমার
কাছে পুরো বিষয়টি ছিল বেশ আনন্দের। আমি সবার গানই
ভীষণ মনোযোগ দিয়ে শুনেই বিচারকার্য সম্পন্ন করেছি।
আর সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে যে অভিভাবকদের আগ্রহ।
প্রত্যেক অভিভাবকই বলছিলেন যে, তাদের সন্তানরা
লেখাপড়ার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলাম কিছু একটা করুক।
গান সে হিসাবে বেছে নেওয়ায় ভীষণ ভালো লেগেছে আমার।
রাজীব বলেন, আমি এর আগে কোনো দিন বিচারক হইনি। এই
বয়সে এসে বিচারক হওয়া যায় কিনা তাও জানা নেই। তবে
শেখ জসীম ভাইয়ের আগ্রহে এবং সাহসে আমার এই
অনুষ্ঠানের বিচারক হওয়া। জসীম ভাই সব কিছু বুঝিয়ে
দিয়েছেন, শিখিয়ে দিয়েছেন। পরে বিষয়টি আমি বেশ এনজয়
করেছি এবং আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন
করেছি। আশা করছি, এ অনুষ্ঠান থেকে বেশ কয়েকজন ভালো
শিল্পী আমরা পাব।
এদিকে আগামী ৭ অক্টোবর রাত ১১টা ৩০ মিনিটে ‘ট্রিবিউট
টু গাজী মাজহারুল আনোয়ার’ অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন
করবেন দিঠি আনোয়ার ও ইউসুফ আহমেদ খান। রাজীব এরই
মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে একটি গান
গেয়েছেন, যা এরই মধ্যে বিটিভিতে প্রচার হয়েছে।




















