জাহাংগীর আলমের বাড়ি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ তিতপাড়া গ্রামে। ওই গ্রামের লতিফর রহমানের পাঁচ ছেলের মধ্যে জাহাংগীর চতুর্থ। তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। বুধবার তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছেলের মৃত্যুর খবরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বাবা লতিফর রহমান ও মা গোলেনুর বেগম। তাদের শরীরে স্যালাইন পুশ করা হয়েছে।
স্ত্রী শিমু আক্তার বারবার সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলছেন। জ্ঞান ফিরলেই স্বামীর ছবি বুকে জড়িয়ে ধরে আহাজারি করছেন। জাহাংগীরের বড় ভাই আবুজার রহমান বলেন, সেনাবাহিনীর পক্ষে মোবাইল ফোনে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়। আজ (বুধবার) সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি দল ও ডিমলা থানার পুলিশ বাড়িতে এসে আমাদের সমবেদনা জানায়। বাড়িতে কেউ আসলেই বাবা জানতে চাইছেন, লাশ কবে আসবে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি জাহাংগীর আলম সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। গত বছরের ১২ এপ্রিল জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের সেরাজুল ইসলামের মেয়ে শিমু আক্তারকে বিয়ে করেন। ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর ৬১ কোম্পানি ব্যাটলিয়নের সহযোগিতায় মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে শান্তিরক্ষা মিশনে যান। ডিসেম্বরে তার দেশে আসার কথা ছিল।




















