দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারী আফগানিস্তান। আফগানিস্তান এ জয়ে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করলো।সফরকারীদের এ বিশাল জয়ের পেছনে বড় অবদান ছিল বাংলাদেশের ফিল্ডারদেরও। হজরতউল্লাহ জাজাই ও উসমান গনির তিনটি ক্যাচ ছেড়েছেন টাইগাররা।
ম্যাচে আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেছেন ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই।তারপর দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেছেন উসমান গনি। ওয়ান ডাউনে খেলতে নামা গনি দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন।
বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন মেহেদি হাসান ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
আফগানদের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে অভিষেক হওয়া ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার আজ বিদায় নিয়েছেন ৪ রান করেই। এরপর ১০ বলে ১৩ রান করে আফগান পেসার আজমতুল্লাহ ওমরাইজ্যের বলে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন আগের ম্যাচের নায়ক লিটন (১৩)। কিছুক্ষণ পর বিদায় নেন ধুঁকতে থাকা নাঈম শেখও। শুরু থেকেই নড়বড়ে ব্যাটিং করতে থাকা নাঈম ১৯ বলে ১৩ রান করে করিম জানাতের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হয়ে ফিরেছেন।
নাঈমের পর দ্রুত ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও। ওমরাজাইয়ের বলে উইকেটরক্ষক রহমানুল্লাহ গুরবাজের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে সাকিব ১৫ বলে করেছেন মাত্র ৯ রান।
দলীয় ৪৫ রানে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশ প্রথম ১০ ওভারে তুলতে পারে মাত্র ৪৭ রান। প্রচণ্ড চাপের মুখে বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখাচ্ছিলেন মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ। দু’জনে মিলে ৩১ বলে ৪৩ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েও মাহমুদুল্লাহ আফগান স্পিনার রশিদ খানের বলে এলডব্লিউ হয়ে ফেরার আগে ১৪ বলে ২১ রান করেন।
মুশফিকও দলীয় রান ১০০ ছোঁয়ার আগেই বিদায় নেন ।এরপর মেহেদি হাসানকে শূন্য রানেই বিদায় করেন ফারুকি। বাঁহাতি ব্যাটার আফিফ হোসেনও ৭ রানেই ব্যর্থ। ওমরজাইয়ের তৃতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। এরপর ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে ফারুকির তৃতীয় শিকান হন শরিফুল ইসলাম (০)। শেষদিকে ৫ বলে অপরাজিত ৬ রান করে দলীয় সংগ্রহ ১১৫ রানে নিয়ে যান মুস্তাফিজ।
শেষের ২৬ বলে কোনো বাউন্ডারিই হাঁকাতে পারেনি বাংলাদেশ। পুরো ইনিংসে বাউন্ডারি হয়েছে মাত্র ১২টি আর ডট বল ছিল ৫৮টি।
ওমরজাই ও ফারুকি ৩টি করে এবং নবি ও রশিদ ১টি করে উইকেট নেন আফগানিস্তানের পক্ষে।




















