রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকার নিত্যপণ্যের আমদানীর ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন । বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
দাম নিয়ন্ত্রণে সয়াবিন তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ সুবিধায় ব্যবসায়ীরা ৩০ জুন পর্যন্ত আমদানি করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। আমদানিতেও শুল্ক ছাড় দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ।
চাল, চিনি, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেলসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী করোনা মহামারি এবং নানা কারণে । পরিস্থিতি আরও বেহাল করেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এ অবস্থায় দাম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পণ্যের ওপর থেকে কর তুলে নেয়ার দাবি জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
এসব নিত্যপণ্যের তালিকায় রয়েছে ভোজ্যতেল, চিনি ও ছোলা। এসময় মন্ত্রী আরো জানান, রমজানে যদি ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় অর্থমন্ত্রী আরো জানান, সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী টিসিবিকে শক্তিশালী করছে। তারপরও যদি ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বাজার অস্থিতিশীল করা চেষ্ঠা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যবসায়ীদের দাবিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভোজ্য তেলের উপর উৎপাদকদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ও ভোক্তাদের ক্ষেত্রে শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জিনিসের দাম যাতে সহনীয় থাকে, সেজন্য আজকে যেসব আইটেমের ওপর ভ্যাট ছিল সেগুলো তুলে নিয়েছি। সরকার থেকে যে পরিমাণ সহযোগিতা করা দরকার সেটা করা হচ্ছে। ভোজ্যতেল, চিনি ও ছোলায় ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।’
এদিকে রোজা সামনে রেখে চিনির দাম স্থিতিশীল রাখতে নিয়ন্ত্রণমূলক আমদানি শুল্কে ১০ শতাংশ ছাড় অব্যাহত রাখার ঘোষণা এসেছিল গত ৬ ফেব্রুয়ারি।




















